দিনের পর দিন প্রচুর পরিশ্রম করছেন, তবুও কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছেন না?
অনেক সময় আমরা কেবল ঘাম ঝরিয়ে কাজ করে যাই, কিন্তু কীভাবে কাজ করলে কম সময়ে ভালো ফল পাওয়া যায়, সে বিষয়ে ভাবি না।
গবেষণা বলছে, শুধু কঠোর পরিশ্রম নয়, দরকার বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজ করা।
মেনে চলুন ৭টি বিজ্ঞানসম্মত অভ্যাস। যা আপনাকে “স্মার্টভাবে কাজ” করতে সহায়তা করবে। বাঁচবে সময়, কাজের মানও বাড়বে।
আপনার মস্তিষ্ক প্রাকৃতিকভাবে ৯০ মিনিটের ফোকাস সেশন অনুযায়ী কাজ করে। এই সময়টায় নিরবচ্ছিন্ন ভাবে মনোযোগ দিন।
এরপর ১০-১৫ মিনিট বিশ্রাম নিন। এতে মনও ফ্রেশ থাকে, কাজের গুণগত মানও বাড়ে।
একসঙ্গে অনেক কাজ করতে গিয়ে আমরা আসলে কোনো কাজই ঠিকভাবে শেষ করতে পারি না। এ জন্য একসঙ্গে একটি কাজেই সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন।
সকালে আমাদের মস্তিষ্ক সবচেয়ে সতেজ থাকে। এই সময় ইমেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় না দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা গভীর মনোযোগের কাজগুলো সেরে ফেলুন।
বড় কাজকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করুন। প্রতিটি ধাপ শেষ হলে নিজেকে ছোট একটি পুরস্কার দিন। যেমন-প্রিয় কোনো খাবার বা ৫ মিনিট রেস্ট। এতে ডোপামিন নিঃসরণ হয়, যা কাজের উৎসাহ বাড়ায়।
প্রতিদিন কী পরবেন, কী খাবেন এসব নিয়ে ভাবতে গিয়ে অনেক অপ্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যাকে বলে ‘ডিসিশন ফ্যাটিগ’। একঘেয়ে হলেও নির্দিষ্ট রুটিন মানলে মনোযোগ থাকে গুরুত্বপূর্ণ কাজে।
হালকা হাঁটা বা ব্যায়াম করলে শরীর সতেজ থাকে এবং ব্রেইনে রক্ত চলাচল বাড়ে। এতে মনোযোগ, স্মৃতি ও সৃজনশীলতা বাড়ে।
পর্যাপ্ত ঘুম অর্থাৎ ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুম না হলে কাজের দক্ষতা কমে যায়। ভালো ঘুম মানে ভালো মনোযোগ, ভালো সিদ্ধান্ত এবং ভালো কর্মক্ষমতা।