(রাজস্থান রয়্যালস, ২০০৮)
১১ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে জিতেছিলেন পার্পল ক্যাপ। জিতেছিলেন শিরোপাও। চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ১৪ রানে ৬ উইকেট নেওয়া তাঁর সেই স্পেল আজও আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম সেরা।
(ডেকান চার্জার্স, ২০০৮)
মাঠ মাতালেও পারফরম্যান্স ছিল ম্যাড়ম্যাড়ে। ১০ ম্যাচে মাত্র ৮১ রান আর ৯ উইকেট।
(কলকাতা নাইট রাইডার্স, ২০০৮)
‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ মাত্র ৩ ম্যাচ খেললেও দিল্লির বিপক্ষে ৪ উইকেট নিয়ে বুঝিয়েছিলেন গতি কাকে বলে!
(দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, ২০০৮)
সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক ৭ ম্যাচে করেছিলেন ৫২ রান।
(রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, ২০০৮)
খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ৮ ম্যাচে করেছিলেন ১১৭ রান।
(দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, ২০০৮)
৮ ম্যাচে নিয়েছিলেন ৮ উইকেট।
(কলকাতা নাইট রাইডার্স, ২০০৮)
৬ ম্যাচে ১২ উইকেট। কলকাতার অন্যতম ভরসা ছিলেন এই ফাস্ট বোলার।
(রাজস্থান রয়্যালস, ২০০৮)
৬ ম্যাচে করেছিলেন ১২৮ রান। রাজস্থানের হয়ে জিতেছিলেন শিরোপাও।
(কলকাতা নাইট রাইডার্স, ২০০৮)
৭ ম্যাচে করেছিলেন ১৯৩ রান।
(রাজস্থান রয়্যালস, ২০০৮)
সুযোগ পেয়েছিলেন মাত্র ১ ম্যাচে, করেছিলেন মাত্র ৩ রান। তবে শিরোপা জিতেছিল তাঁর দল।
(কলকাতা নাইট রাইডার্স, ২০০৮)
৮ ম্যাচে ৬৪ রান ও ২ উইকেট।
২০১২ ও ২০১৩ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব এবং ২০১৫ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। তবে সেটা পাকিস্তানি হিসেবে নয়, ব্রিটিশ পাসপোর্ট থাকার সুবাদে।