default-image

লিখে এনেছিলেন দীর্ঘ বক্তৃতা। কিন্তু তার কিছুই বলতে পারেননি ‘সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনে’র সভাপতি অজয় রায়। তিনি বলেন, ‘আমার একটি ব্যক্তিগত বিয়োগ ঘটেছে। তাই মনটা ভারী।’ নিজের ৮৭তম জন্মদিনের উৎসবে এসে অজয় রায় জানালেন আগের দিন রাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর কথা।
জন্মদিন উদ্যাপন নাগরিক কমিটির আয়োজনে গতকাল রোববার অজয় রায়ের ৮৭তম জন্মদিন উদ্যাপন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে নানা বিশিষ্টজন এসেছিলেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদকে সম্মান জানাতে। ফুল দিয়ে সম্মান জানানো হয় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও।
প্রধান অতিথি ছিলেন উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘অজয় রায়ের জীবনের লক্ষ্য কখনো পরিবর্তিত হয়নি। তিনি তাঁর যৌবনকাল থেকে মানুষের মুক্তিসংগ্রামের জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। তিনি তখন যে রাজনীতি করতেন, এখন হয়তো সে রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেছেন, তবে লক্ষ্য থেকে কখনো সরে যাননি।’
এর আগে গান ও কবিতা আবৃত্তি করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সাংস্কৃতিক মঞ্চের শিল্পীরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অজয় রায়ের স্ত্রী জয়ন্তী রায়, মেয়ে অনিন্দিতা ও অদিতি এবং ছেলে অমিতাভ। অনিন্দিতা আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘বাবা তোমার সন্তান হতে পেরে আমরা গর্বিত।’
স্বাগত বক্তব্য দেন নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ তালুকদার। মানপত্র পাঠ করেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি জিয়া উদ্দিন তারিক আলি। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, ‘শতবর্ষের দ্বারপ্রান্তে আসতে পেরেছেন তিনি, তার একটি গোপন রহস্য পৃথিবীকে তিনি নিত্যনতুন মনে করেন। পৃথিবীকে পুরোনো মনে করলে তিনি ক্লান্ত হয়ে যেতেন।’
শেষে অজয় রায়ের জীবনের ওপর নির্মিত ২০ মিনিটের একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন