রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়েছে। আদালত রায় ঘোষণার দিন ঠিক করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চাওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা বলেছেন, অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পাঁচজন জড়িত ছিলেন। আসামিদের মধ্যে একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মামলায় ৪১ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার নথিপত্র বলছে, ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত একুশে গ্রন্থমেলা থেকে ফেরার পথে হুমায়ুন আজাদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় পরের দিন তাঁর ভাই মঞ্জুর কবির রমনা থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। বিদেশে উন্নত চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ওই বছরই ১১ আগস্ট জার্মানিতে মারা যান হুমায়ুন আজাদ। এরপর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

২০০৭ সালের ১৪ জানুয়ারি ৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। ওই বছরই অভিযোগ গঠন করা হয়।

এই মামলায় কারাগারে আটক আছেন দুই আসামি। তাঁরা হলেন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) শুরা সদস্য মিজানুর রহমান ও আনোয়ার আলম। পিপি সাইফুল ইসলাম জানান, পলাতক আছেন আসামি সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ। মারা গেছেন হাফিজ মাহামুদ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন