বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদেশে আদালত বলেছেন, তদন্তকালে অননুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি ও মাইক্রোফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশন পাওয়া গেলে বা তাদের লাইসেন্স না থাকলে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে সেগুলোর কার্যালয় তাৎক্ষণিক বন্ধ করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

একই সঙ্গে আদালত ৪৫ দিনের মধ্যে স্থানীয় ঋণ বিতরণকারীদের তালিকা আদালতে দাখিল করতে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সারা দেশে চড়া সুদে ঋণদাতা মহাজনদের চিহ্নিত করার নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক ৭ সেপ্টেম্বর রিটটি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে সৈয়দ সায়েদুল হক নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর উস সাদিক। ২০ সেপ্টেম্বর শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২৭ সেপ্টেম্বর (আজ) আদেশের জন্য দিন রাখেন। সে অনুযায়ী আজ আদেশ হলো।

রুলে বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি লাইসেন্স না থাকা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতি ও মাইক্রোফাইন্যান্স ইনস্টিটিউশনের কার্যক্রম তদারকি ও তত্ত্বাবধানে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

অর্থসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথোরিটিসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পরবর্তী আদেশের জন্য আদালত আগামী ৩০ নভেম্বর দিন রেখেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন