বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত ৫ মে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নৈতিক আচরণ বিধি প্রণয়নে পদক্ষেপ নিতে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর আইনি নোটিশ পাঠান। এর জবাব না পেয়ে আইনজীবী রাশিদা চৌধুরী ও জারিন রহমান রিট করেন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৬ আগস্ট হাইকোর্টের একই বেঞ্চ রুল দেন।

অননুমোদিত ও অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো বন্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা রুলে জানতে চাওয়া হয়। সংবাদপত্র, সব সংবাদ এজেন্সি এবং সাংবাদিকদের জন্য নৈতিক আচরণ বিধি প্রণয়নে নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি হবে না এবং নৈতিক আচরণ বিধি প্রণয়নে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে তা–ও জানতে চাওয়া হয়। তথ্যসচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে সাত দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এ অবস্থায় সম্পূরক আবেদনটি দাখিল করেন রিট আবেদনকারীরা।

আদালতে রিটের পক্ষে রাশিদা চৌধুরী ও জারিন রহমান শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।
পরে আইনজীবী রাশিদা চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার, পরীমনিসহ কয়েকটি ঘটনা নিয়ে অনিবন্ধিত বিভিন্ন অনলাইন মুখরোচক গল্প সাজিয়ে বিভিন্ন ধরনের সংবাদ প্রচারের পরিপ্রেক্ষিতে রিটটি করা হয়। এসব সংবাদ পরিবেশন বন্ধে বিটিআরসি বা প্রেস কাউন্সিলের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। আবার অনেকগুলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল অনুমোদন পেলেও সেগুলো এখনো নিবন্ধিত হয়নি। অননুমোদিত ও অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোর কার্যক্রম চলছে। রুলের জবাব হাতে আসেনি। এ অবস্থায় অননুমোদিত ও অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো বন্ধ চেয়ে সম্পূরক আবেদনটি করা হলে হাইকোর্ট ওই আদেশ দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন