বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিবারে কে কে আছেন? জয়ের খবর কি ঘরে পৌঁছেছে?

জীবন বলী: বাবা মারা গেছেন বেশ কয়েক বছর। ঘরে মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। জয়ের খবর তারা আপনাদের সংবাদের মাধ্যমে জেনেছে। অনেক খুশি তারা। মেলা থেকে সন্তানদের জন্য নানা খেলনা নিয়ে যাব। তারা ইতিমধ্যে অনেক কিছু কিনে নিয়ে যেতে বলেছে।

বলীখেলার চর্চা কীভাবে, কখন করেন? পেশা কী আপনার?

জীবন বলী: পেশায় আমি একজন শ্রমিক। যখন যা পাই, তা–ই করি। আবদুল জব্বারের বলীখেলা হয় বৈশাখ মাসে। এর আগে প্রতিবছর চৈত্র মাসে গ্রামে বলী খেলি। ঠিকঠাক খাওয়াদাওয়া করি। চর্চা বলতে এটুকুই।

খাওয়াদাওয়ার কথা যেহেতু তুললেন, মেনুটা কি জানতে পারি?

জীবন বলী: মেনু বলতে কী কী খাই, তাই তো? আসলে আমার বেড়ে ওঠা টানাটানির সংসারে। মাছে-ভাতে বড় হওয়া। তিনবেলা ভাত খাই। প্রতি বেলায় দুই প্লেট না খেলে পেট ভরে না। ভাতের সঙ্গে ডিম ভাজা, ডাল, সবজি। কখনো মাছ, মাংস। যখন বলী খেলার অনুশীলন করি, তখন প্রতিদিন ৫টা ডিম খাই। এভাবে চলে যায়।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? বলীখেলায় জিতলে জীবনযাপনে কোনো পরিবর্তন আসে?

জীবন বলী: পরিবর্তন তো আসেই। কত মানুষ চেনে। যেখানে যাই, সবার ভালোবাসা পাই। সবাই আদর করে। প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অনেক জায়গায় খেলার ডাক পাই। এবারও ঈদের পর কুমিল্লা, কক্সবাজার, পটিয়া, মহেশখালী, ঈদগাঁসহ দেশের নানা জায়গায় খেলা আছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন