এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আনিছুর রহমান বলেন, ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক দলবলসহ গিয়ে তাঁকে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ জানান। গতকাল রাত ১০ টা ২ মিনিটে তাঁকে কর্মসূচির কাগজ পাঠানো হয়। এতে তিনি দেখতে পান, সেখানে তাঁর নাম নেই। এর কয়েক মিনিট পর মহাপরিচালক ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আমন্ত্রণপত্রটি সংশোধন করেন।

এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আনিছুর রহমান বলেন, ইসি সচিব হুমায়ুন কবির খোন্দকার এবং সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব বর্তমান নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের প্রশংসা করেন। তাঁরা বলে থাকেন, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা অত্যন্ত দক্ষ। কিন্তু ‘আমি সেটা ডিফার (ভিন্নমত পোষণ) করি এবং প্রথম থেকেই আমি ডিফার করি। আমি ডিফার করেই যাব। এটা হওয়া উচিত না।’

আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমি কেন আসলাম? আমার তো আসা উচিত ছিল না। আমি আগে থেকেই বলেছি, ঘটা করে চারজনকে আনার দরকার নাই। আমাদের বক্তব্য মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাহেব থাকলেই যথেষ্ট। আর তো কারো থাকার দরকার নাই ঘটা করে। দক্ষতার প্রমাণ কিন্তু এটা।’

এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, ‘কেউ অসন্তুষ্ট হলে আমার কিছু আসে যায় না। আমি আনিছুর রহমান ৩৪ বছর যেভাবে কাজ করেছি, সেভাবেই বাকি ৫ বছরও করে যাব। এভাবেই করে যাব।’ তিনি বলেন, কারও চোখের দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে তাঁর কষ্ট লাগে না। চোখ বন্ধ করে থাকলেও কষ্ট লাগে না।

বক্তব্যের শেষে আনিছুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের অনুষ্ঠানে আমাকে না ডাকলে ভালো হবে। আমি আর এ ধরনের প্রোগ্রামে থাকতে চাই না।’

পরে ওই অনুষ্ঠানেই ইসি সচিবালয়ের সচিব হুমায়ুন কবির খোন্দকার দাওয়াতপত্রে নাম থাকার বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মহাপরিচালক হোয়াটসঅ্যাপে যে দাওয়াতপত্র আনিছুর রহমানকে পাঠিয়েছেন, সেখানে তাঁর নাম ছিল না। এটা নিঃসন্দেহে ‘মিসকন্ডাক্ট’। এ বিষয়ে যে অফিশিয়াল ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নেওয়া হবে।

ওই অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব খান, রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন