বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: অতীতে দেখা গেছে, ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান ও সদস্য প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সিলেট সদরের জালালাবাদ ইউপিতে গত শনিবার প্রার্থীর সমর্থককে খুনের ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় আপনাদের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কি?

মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ: এ রকম ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক। আগামী নির্বাচনে যাতে এ রকম ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় সুধী সমাজকে সম্পৃক্ত করে আইনশৃঙ্খলা–বিষয়ক ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। প্রতিটি ইউপিতে কনফিডেন্স বিল্ডিং প্যাট্রলের মাধ্যমে সব ভোটারদের শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে অবগত ও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

প্রথম আলো: নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আপনারা কেমন উদ্যোগ নেবেন?

মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ: সব প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও থানা-পুলিশের মাধ্যমে ব্যাপক কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদস্যদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইজিপি স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। নির্বাচনের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে যাতে কোনো সহিংসতার অবতারণা না হয়, সে বিষয়ে নির্বাচনের পরও পুলিশি ডিউটি অব্যাহত রাখা হবে। এককথায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ইউপি নির্বাচনের আগে-পরে পুলিশ সক্রিয় থাকবে।

প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।

মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ: প্রথম আলোর পাঠকদেরও ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন