বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানীর ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডের কাকলি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে সকালে টিকাদান শুরুর পরই কারিগরি ত্রুটি ও দায়িত্বরত ব্যক্তিদের অদক্ষতা দেখা দেয়। কারিগরি সহায়তায় দায়িত্বরত স্কাউট সদস্যরা টিকা কার্ড স্ক্যান করতে পারছিলেন না। শুরুর প্রথম দেড় ঘণ্টা এই সমস্যা থাকে। ফলে এই কেন্দ্রে প্রথম এক ঘণ্টায় ১৯ নম্বর বুথে মাত্র ৬ জন ও ১৮ নম্বর বুথে মাত্র ৭ জনকে টিকা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী ঢাকা সিটি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নকিবুল ইসলাম বলেন, স্ক্যান করার জন্য স্কাউটের সদস্যরা অনেকক্ষণ ধরে চেষ্টা করেন, কিন্তু পারছিলেন না। তাঁদের কারিগরি জ্ঞানে ঘাটতি লক্ষণীয়। কাকলি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী প্রভাষক তরিকুল ইসলাম বলেন, সার্ভারে জটিলতার কারণে স্ক্যান হচ্ছিল না।

কাকলি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ দীন মোহাম্মদ খান বলেন, টেকনিক্যাল সাপোর্টের জন্য আসা স্কাউটের সদস্যরা দক্ষ না হওয়ায় এই সমস্যা হয়েছিল। এদিকে বনানীর চিটাগাং গ্রামার স্কুল টিকাকেন্দ্রে দীর্ঘ অপেক্ষার পর কয়েক শ শিক্ষার্থীকে টিকা না পেয়েই ফেরত যেতে হয়েছে। গতকাল বেলা দুইটার পর টিকাদান শেষ জানালে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা স্কুলের ফটকে ধাক্কাধাক্কি করে।

টিকা না পেয়ে গভর্নমেন্ট সায়েন্স হাইস্কুলের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বলে, ‘আজ প্রায় সারা দিন শেষ হলো। আব্বু অফিস ছুটি নিয়ে এসেছেন। আবার কাল ছুটি নিতে হবে। আমাকে আবার কাল আসতে হবে। আমাদের আগে বলে দিলেই হতো।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামার স্কুলের এক শিক্ষকের অভিযোগ, সায়েন্স স্কুলের কাছে এক হাজার শিক্ষার্থীর তালিকা চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা বেশি শিক্ষার্থী পাঠিয়েছে। অবশ্য গভর্নমেন্ট সায়েন্স স্কুলের প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তারের দাবি, ‘আমাদের কাছে এক হাজার শিক্ষার্থী চাওয়া হয়েছিল, সেই অনুযায়ী এসএমএস পাঠিয়েছিলাম।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ টিকা ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব মো. শামসুল হক বলেন, ‘চিটাগাং গ্রামার স্কুলে মঙ্গলবার এই সমস্যা হয়েছিল, গতকালও হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে দুই হাজার টিকা দেওয়ার কথা। আমরা তা-ই দিই। আজও দেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে বরং ১০০ বেশি দেওয়া হয়েছে।’

চিটাগাং গ্রামার স্কুলের টিকাদানের সমস্যা নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান শামসুল হক।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন