বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডির কলাবাগানে পবা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চেয়ারম্যান আবু নাসের খান এ কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কমিটি আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

নাগরিক তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে আবু নাসের খানকে। কমিটির সদস্যসচিব ও প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন যথাক্রমে নিরাপদ নৌপথ বাস্তবায়ন আন্দোলনের সদস্যসচিব আমিনুর রসুল এবং লেখক ও নৌপরিবহন–বিষয়ক গবেষক আশীষ কুমার দে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও এর অধীন সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও অধিদপ্তরগুলো, নৌযান মালিক সমিতি এবং নৌযান শ্রমিক সংগঠনগুলোর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। এ ছাড়া অভিযান–১০ লঞ্চে আগুন লাগার ঘটনায় দুই আইনজীবীর করা দুটি রিট উচ্চ আদালতের যে বেঞ্চে বিচারাধীন, প্রতিবেদন সেই বেঞ্চে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কমিটিতে বিশেষজ্ঞ হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মীর তারেক আলী, পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক ও যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোর ভি শিপস-এর সাবেক প্রধান নৌপ্রকৌশলী মো. আবদুল হামিদ।

এ ছাড়া নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহীদ মিয়া, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, বিআইডব্লিউটিএর সাবেক সচিব সৈয়দ মনোয়ার হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নিশাদ মাহমুদ, সাংবাদিক নিখিল ভদ্র, নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ ফোরামের (নাসাফ) সাধারণ সম্পাদক মো. তৈয়ব আলী, আইনজীবী ও গবেষক জীবনানন্দ জয়ন্ত, কোস্ট ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল আকন্দ, বাপার যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, বিআইডব্লিউটিএর সাবেক কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ ও পুরান ঢাকা পরিবেশ উন্নয়ন ফোরামের আহ্বায়ক মো. নাজিম উদ্দিন তদন্ত কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন