বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) ব্যবস্থাপনায় থাকা সার পরিবহন নিয়ে খবরে আসা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ কেন অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল এই রুল দেন। শিল্পসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বিসিআইসির চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনকারী পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী বেলায়েত হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস। পরে বেলায়েত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ ভর্তুকি দেওয়া খাত হচ্ছে সার। অথচ খবরে এসেছে, সার পরিবহনে অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে। এই খাতে দুর্নীতি ও অনিয়ম থাকলে দেশে কৃত্রিম সারসংকট তথা খাদ্যসংকট হতে পারে। তাই এই খাতে সুব্যবস্থাপনা ফিরিয়ে আনতে অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হলে আদালত ওই রুল দেন।

‘সার পরিবহনে অনিয়ম, ২২৬ কোটি টাকার সারের হদিস নেই’ শিরোনামে গত ২৪ জানুয়ারি প্রথম আলোতে প্রতিবেদন ছাপা হয়। এতে বলা হয়, বিসিআইসি গুদামে কাগজে-কলমে যে সার থাকার কথা, বাস্তবে তা নেই। সরকারের বাণিজ্যিক অডিট অধিদপ্তর সম্প্রতি নিরীক্ষায় ৮৬ হাজার ৬৫৭ মেট্রিক টন সারের কোনো হদিস পায়নি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন