বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, বরাবরের মতোই ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে মেলা করার জন্য একাডেমির প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত স্টল বরাদ্দের জন্য আবেদন জমা দেওয়া যাবে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অংশে মেলার পরিসর চিহ্নিত করে অবকাঠামো তৈরির প্রস্তুতি চলছে। মেলার এসব প্রস্তুতি পর্বের কাজ চলতে থাকবে। সরকারি নির্দেশনা পেলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

করোনা সংক্রমণের কারণে গত বছর অমর একুশের গ্রন্থমেলা ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয়নি। লেখক-প্রকাশকদের আগ্রহে মার্চের ১৮ তারিখ মেলা শুরু হয়। শেষ হওয়ার কথা ছিল ১৪ এপ্রিল। এর মধ্যে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় তিন দফায় মেলার সময় পরিবর্তন করা হয়। শেষ দিকে এসে নির্ধারিত মেয়াদের দুই দিন আগেই ১২ এপ্রিলে মেলা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এসব কারণে গত মেলায় প্রকাশকেরা আশানুরূপ বিক্রি করতে পারেননি। অনেক প্রকাশকই লোকসানে পড়েছেন।

এবারের বইমেলা সম্পর্কে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি, অন্যপ্রকাশের প্রধান নির্বাহী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘অমিক্রনের সংক্রমণ এখন দ্রুত বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে মেলার আয়োজন করা ঠিক হবে না। গত বছর সংক্রমণের ভেতর মেলা করে প্রকাশকেরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সংক্রমণের হার যদি কমে আসে, তবে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নাগাদ মেলা করা যেতে পারে। আমরা কলকাতার বইমেলার আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। তারাও করোনা সংক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে মেলার সময় পরিবর্তন করবে বলে জানিয়েছে। একুশের বইমেলার ধারাবাহিকতা রাখা দরকার। তবে সময় নির্ধারণের বিষয়টি সবদিক বিবেচনা করেই নেওয়া উচিত।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন