বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আপিল করার বিষয়টি জানিয়ে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, শাহজাহান ও নিরঞ্জন ব্যাংক হিসাব খোলেন। ঋণের জন্য আবেদন করেন। তাঁদের আবেদনে ঋণ অনুমোদন হয়। তাঁরা মুখ্য অপরাধে প্ররোচনা দিয়েছেন। তবে বিচারিক আদালতের রায়ে তাঁরা সুবিধাভোগী নন বলে খালাস দেওয়া হয়। মুখ্য অপরাধের সহযোগী বলে তাঁদের খালাসের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করেছে।

খুরশীদ আলম খান আরও বলেন, ‘আপিলে শাহজাহান ও নিরঞ্জনের খালাস আদেশ বাতিলের পাশাপাশি উপযুক্ত শাস্তি চাওয়া হয়েছে। এর আগে আপিল গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি হবে। আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে দুজনকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশনা দেওয়ার আরজি রয়েছে।’

গত ৯ নভেম্বর এ মামলার রায় দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক। রায়ে দুটি ধারায় সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে ৭ ও ৪ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার বাকি ১০ আসামির মধ্যে ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আর দুই আসামি খালাস পান। এই খালাসের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করল।

বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন তৎকালীন ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতি, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিটপ্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম শামীম, সাবেক ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফুল হক, গুলশান শাখার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিউদ্দিন আসকারী, এস কে সিনহার কথিত পিএস রণজিৎ চন্দ্র সাহা ও রণজিতের স্ত্রী সান্ত্রী রায়।

২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। গত বছরের ১৩ আগস্ট এস কে সিনহাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন