দুদকের করা ওই মামলায় ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ রায় দেন। রায়ে মিজানুর রহমানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড হলেও অর্থ পাচারের অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়। একই মামলায় দুদকের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে দুই ধারায় আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মিজানুরকে অর্থ পাচারের অভিযোগ থেকে খালাসের বিরুদ্ধে দুদক আপিল করে। এই আপিলের গ্রহণযোগ্যতার ওপর আজ শুনানি হয়। আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

পরে খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, ‌ওই মামলায় দণ্ডবিধিতে তিন বছর এবং অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ধারায় খন্দকার এনামুল বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে মিজানুর রহমানের দণ্ডবিধিতে তিন বছরের কারাদণ্ড হলেও অর্থ পাচারের ধারায় খালাস দেওয়া হয়। এই খালাসের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট মামলার নথি তলব করেছেন। তিন বছরের সাজার বিরুদ্ধে মিজানুর রহমান ইতিমধ্যে আপিল করেছেন। মিজানুর ও দুদকের করা পৃথক আপিলের ওপর একসঙ্গে শুনানি হবে বলে উল্লেখ করেছেন হাইকোর্ট।