মাইনী নদীর চরের চারদিকে তামাকখেত। তামাকখেতের মাঝে ভিন্ন দৃশ্য। সেখানে ৮০ শতক জমিতে চাষ করা হয়েছে তরমুজ। খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বাবুছড়া ইউনিয়নের দাদন কার্বারীপাড়ার দৃশ্য এটি।
দাদন কার্বারীপাড়ার সভার ভূষণ চাকমা এই তরমুজ চাষ করেছেন। তিনি বলেন, চলতি বছর মাইনী নদীর চরের ৮০ শতক জায়গায় পরীক্ষামূলকভাবে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি। ফলন খুবই ভালো হয়েছে। তিনি জানান, ৮০ শতক জমিতে তরমুজ চাষ করতে মোট খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে এক লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করেছেন। আরও এক লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে তিনি আশা করছেন।
সভার ভূষণ চাকমা জানান, ১৫ থেকে ২০ কেজি ওজনের একটি বড় তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়, মাঝারি আকারের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। এ ছাড়া আকার অনুযায়ী ২০০ থেকে ৩০০ টাকায়ও তরমুজ বিক্রি করছেন তিনি।
বাবুছড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সুগত প্রিয় চাকমা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সমর বিজয় চাকমা জানান, সভার ভূষনের খেতের তরমুজের স্বাদও অন্যরকম। তিনি তাঁর স্ত্রী জ্যোতিকা দেওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তরমুজ চাষ করেছেন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন