বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এখন ব্যাংক যে ঋণ দেয়, তার বিপরীতে স্থাবর সম্পত্তি অথবা ক্যাপিটাল ইকুইপমেন্ট ইকুইটি দিতে হয়। এখন অস্থাবর সম্পত্তিকে ইকুইটি হিসেবে নেওয়ার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। তার মানে এখন থেকে অস্থাবর সম্পত্তির বিপরীতেও ঋণ দেওয়া যাবে। যেমন কারও যদি স্থায়ী আমানত (ফিক্সড ডিপোজিট) থাকে, তাহলে সেটিকে জামানত রেখে তার বিপরীতে ঋণ নিতে পারবেন।

এ রকম আরও কয়েকটি অস্থাবর সম্পত্তি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, এগুলো হলো রপ্তানি আদেশ অনুযায়ী পণ্য প্রস্তুতের কাঁচামাল, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানত, স্বর্ণ, রুপা বা অন্যান্য স্বীকৃত মূল্যবান ধাতু, নিবন্ধিত কোম্পানির শেয়ার সার্টিফিকেট, খনিজ সম্পদ, মৎস্য ও গবাদিপশু ইত্যাদি।

মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কথা বিবেচনা করে আইন করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০২২’-এর খসড়াও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে চাকরিরত অবস্থায় কোনো শিক্ষক মারা গেলে তাঁর অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের পড়াশোনার খরচ দেওয়া হবে। সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত এ খরচ পাবে। একই সঙ্গে প্রতিবন্ধী সন্তান বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের জন্যও খরচ দেওয়া হবে।

চিকিৎসার খরচসহ আরও কিছু আর্থিক সুবিধা পাবেন শিক্ষকেরা। অবশ্য এ জন্য নির্ধারিত হারে চাঁদা দিতে হবে শিক্ষকদের। এগুলো বিধি দ্বারা নির্ধারণ করা হবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে‌ ‘বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (সংশোধন) আইনের’ খসড়া ও ‘জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি, ২০২২-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন