বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জবাবে আসাদুজ্জামান খান বলেন, এখানে (সভায়) যাঁরা বিশেষজ্ঞ ছিলেন তাঁরা বলেছেন অনেক আগে থেকেই এটি (মদ) মাদক বলে চিহ্নিত আছে। তবে যেহেতু আদালত থেকে একটি নির্দেশনা রয়েছে। এটি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত তা মাদক বলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে। ‘লিকার’কে কীভাবে আলাদাভাবে দেখা যায়, সেটি নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদকসংক্রান্ত আইন পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং এটিকে কীভাবে আরও প্রয়োগ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

আগামী বছর (২০২২ সাল) থেকে মাদকের বিরুদ্ধে গণজাগরণ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সভায় সচেতনতার পাশাপাশি মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত এসেছে। আর মাদকদ্রব্য নিরাময় কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘চিকিৎসা ও নিরাময় কেন্দ্র’ করার প্রস্তাব এসেছে। এ ছাড়া চাকরিতে নিয়োগের সময় ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব এসেছে।

যদিও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী ইতিমধ্যে ডোপ টেস্ট শুরু করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই অনেক চাকরিজীবী বিশেষ করে নিরাপত্তা বাহিনীতে যারা চাকরিরত আছেন, তাঁদের মধ্যে যাঁকে মাদকাসক্ত বা মাদকের সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হচ্ছে এবং ডোপ টেস্টে যারা শনাক্ত হয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সাময়িক বরখাস্ত করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন যত নিয়োগ হচ্ছে, সেখানে সবারই ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে।

দেশে ৪ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি মাদক মামলা রয়েছে। এগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন