বগুড়ার কাহালুতে কাঠমিস্ত্রি বিপুল (১৮) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ (২০) গত শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উপজেলার দেহড় গ্রামের তুহিন (২২) ও পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই গ্রামের ইব্রাহিম খলিলুল্লাহকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়। ইব্রাহিম পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার গ্রামের একটি শ্যালো ঘর থেকে বিপুলের কাপড়চোপড় উদ্ধার করা হয়।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সমিত কুমার কুণ্ডু বলেন, ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জের ধরেই খুনের ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার রাতে ইব্রাহিমের নেতৃত্বে তিন-চারজন মিলে মুঠোফোনে বিপুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয়। গ্রামের ছোটগাড়ি পুকুরপাড়ে সবাই মিলে ফেনসিডিল সেবন করে। এরপর বিপুলকে জবাই করে হত্যা করে অন্যরা। পরে লাশটি পুকুরে ফেলে বিপুলের পোশাকগুলো ওই শ্যালো ঘরে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করে হত্যাকারীরা।
ইব্রাহিমকে শনিবার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আহম্মেদ শাহরিয়ার তারেকের আদালতে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
কাঠমিস্ত্রি বিপুলের লাশ ১২ ফেব্রুয়ারি ছোটগাড়ি পুকুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই তাঁর মামা নিলু চারজনকে আসামি করে কাহালু থানায় মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, তুহিন ও ইব্রাহিমকে আদালতের মাধ্যমে শনিবার রাতেই বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন