মুন্সিগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সুপার (এসপি) হাবিবুর রহমান গতকাল রোববার বরগুনা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের জন্য হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছুটিতে থাকায় তাঁর বিষয়ে শুনানি হয়নি।
স্ত্রী হালিমা বেগমের করা মামলায় এসপি হাবিবের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ওই ট্রাইব্যুনাল। এরপর হাবিব উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন।
আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গতকাল বেলা পৌনে ১১টার দিকে জেলা জজ আদালতের সংরক্ষিত ফটক (মসজিদ গেট) দিয়ে এসপি হাবিব, তাঁর বাবা, ভাইসহ বেশ কয়েকজন আদালতে ঢোকেন। এ সময় বরগুনা থানার দুজন এসআই, আদালত পরিদর্শক, পুলিশের বিশেষ শাখার একজন এসআই ও কয়েকজন কনস্টেবল তাঁদের সঙ্গে ছিলেন।
সূত্র জানায়, ট্রাইব্যুনালের বিচারক ছুটিতে থাকায় এসপি হাবিবের আইনজীবী ও বরগুনা পৌর বিএনপির সভাপতি নূরুল আমিন ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামিদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু বাদীপক্ষের আইনজীবীদের আপত্তির কারণে সেই আবেদনের শুনানি হয়নি। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাবিবুরসহ অন্যরা আদালত থেকে বের হয়ে অপেক্ষমাণ একটি সাদা মাইক্রোবাসে উঠে চলে যান।
এসপি হাবিবের বিচারের দাবিতে জেলা মহিলা পরিষদসহ বিভিন্ন নারী ও পেশাজীবী সংগঠন গতকাল জেলা আইনজীবী সমিতির সামনে মানববন্ধন করে। সকালে জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনে হাবিবের স্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, ‘নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েই সে (হাবিবুর) ক্ষান্ত হয়নি। এখন বিভিন্ন থানায় আমার ও আমার ভাইদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।’

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন