default-image

বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন উল্লেখ করে জীবিত এক যুবককে মামলা থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে ক্ষমা চেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওসমান গণির আদালতে হাজির হয়ে লিখিতভাবে ক্ষমা চান বরখাস্ত  হওয়া উপপরিদর্শক (এসআই) দীপংকর চন্দ্র রায়। পরে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তর জন্য নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনারকে নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সরকারি কৌঁসুলি আবিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, দীপংকর চন্দ্র রায় আদালতে হাজির হয়ে লিখিতভাবে নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

‘আমি তো বেঁচে আছি, কখন বন্দুকযুদ্ধে মরলাম’ শিরোনামে ১ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়, আমিন জুট মিল এলাকায় ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর আসামি মো. জয়নালসহ অন্যরা ‘হামলা চালান’ বাদী শাহ আলম ও তাঁর পরিবারের ওপর। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে মামলা হয়। জয়নালকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে গত ডিসেম্বরে অভিযোগপত্র দেন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার তৎকালীন এসআই দীপংকর চন্দ্র রায়। তিনি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জয়নাল নিহত হওয়ায় তাঁকে বাদ দেওয়া হয়।

প্রথম আলোয় এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর এসআই দীপংকর চন্দ্র রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আলী হোসেনকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন তৎকালীন পুলিশ কমিশনার। সরেজমিন তদন্ত না করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশের ওই কর্মকর্তা এক আসামিকে মামলা থেকে বাদ দিয়েছেন বলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ডিসি ডিবির দেওয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রথম আলোয় প্রকাশিত প্রতিবেদনের সত্যতা পাওয়ার কথাও বলা হয় প্রতিবেদনে। একই সঙ্গে এসআই দীপংকরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার সুপারিশ করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য আদেশ দেওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বাদী শাহ আলম।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0