আন্তক্যাডার বৈষম্য নিরসনে সংসদীয় কমিটি গঠনের দাবি

বিজ্ঞাপন
default-image

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে (বিএসএস) আন্তক্যাডার বৈষম্য নিরসনে একটি সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটি করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২০’–এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২০’ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন। বিলের ওপর আসা জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি শেষে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এ সময় কৃষিবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্রাগ্রসর বিশ্বের সঙ্গে সংগতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে কৃষিবিজ্ঞানে উন্নত শিক্ষাদানের পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রচলিত অন্যান্য বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনসহ দেশে কৃষি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিশিক্ষার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হবিগঞ্জ জেলায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিলটি যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের আলোচনায় শামীম হায়দার পাটোয়ারী প্রশ্ন রাখেন, যাঁরা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করবেন, তাঁরা কি আসলেই কৃষিবিদ হবেন? বিসিএসে প্রশাসন, পুলিশ ক্যাডারে চাকরি না হলে হয়তো কৃষিবিদ হবেন। মেডিকেল, বুয়েট, আইবিএ থেকে পাস করে শিক্ষার্থীরা পুলিশ, প্রশাসনে যাচ্ছেন। এর কারণ, আন্তক্যাডার বৈষম্য অনেক বেড়ে গেছে। এ বৈষম্য নিরসনে তিনি একটি সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটি করার দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিলের আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে সাংসদেরা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার উদ্যোগ নিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি উচ্চ আদালত এ–সংক্রান্ত আদেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭ জুলাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে সাংসদের পরিবর্তে সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২০’ পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাধিক সাংসদ। জাতীয় পার্টির সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অন্তত ৬০ দিন অপেক্ষা করতে পারত। জাপার আরেক সাংসদ পীর ফজলুর রহমান বলেন, সাংসদদের অবস্থানকে অসম্মানজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থানের কথা জানান।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন