কমনওয়েলথ আবারও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি ফলপ্রসূ সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করার আহ্বান জানিয়েছে। আগাম এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের আলোচনায় রাজি থাকার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে কমনওয়েলথ এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

লন্ডনে কমনওয়েলথ সংস্থার সদর দপ্তর থেকে সোমবার রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মুখপাত্র রিচার্ড উকু বলেন, জনমতের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটে এবং গণতান্ত্রিক সাংবিধানিক নীতিমালা অনুসৃত হয়—ভবিষ্যতে এ রকম একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচনী কাঠামো-সম্পর্কিত সংলাপে সহায়তা করতে কমনওয়েলথ প্রস্তুত রয়েছে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে সব নাগরিকের অংশগ্রহণের অবিচ্ছেদ্য অধিকারসহ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির প্রসার ঘটাতে কমনওয়েলথ অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে কমনওয়েলথ ঘনিষ্ঠভাবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতিতে সহায়ক হতে পারে, এমন যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে সংস্থাটি প্রস্তুত রয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে কার্যকর ও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতেও প্রস্তুত কমনওয়েলথ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কমনওয়েলথের সদস্যরা সুশৃঙ্খলভাবে যে গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সহিংসতা এবং হতাহতের ঘটনা তার প্রতি হুমকি।

সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বিশেষভাবে নিন্দনীয় উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, কমনওয়েলথ বৈচিত্র্য এবং সমতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে বিশেষভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। একই সঙ্গে এ ধরনের হামলার ঘটনা কমে আসাকে উৎসাহব্যঞ্জক বলে উল্লেখ করা হয়। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা অগ্রহণযোগ্য বলে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা সম্প্রতি যে প্রকাশ্য বিবৃতি দিয়েছেন, তাকে স্বাগত জানিয়ে কমনওয়েলথ মুখপাত্র বলেন, এসব হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন