বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশে বিড়ি-সিগারেটের প্যাকেটে কাগজের যে ছোট পাতলা আবরণ ফিতার মতো জড়ানো থাকে, সেটি হলো ব্যান্ডরোল। ব্যান্ডরোল ছাপায় সরকারি প্রতিষ্ঠান দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ। সেখান থেকে তা সংগ্রহ করে সিগারেটের কোম্পানিগুলো। আর বাজারজাতের সময় ব্যান্ডরোল ব্যবহারের নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাট বিভাগে রাজস্ব পরিশোধ করতে হয়; অর্থাৎ সিগারেটের কর আদায় হয় এই ব্যান্ডরোলের মাধ্যমে।

কর্মকর্তারা বলেন, কাস্টম হাউসের পোর্ট কন্ট্রোল ইউনিট ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আওতায় রপ্তানিকারক, রপ্তানিকারকের ওয়েবসাইট, তৈরি দেশ, আমদানিকারকের ব্যবসায়ের ধরন ও ঠিকানা, পণ্যের বর্ণনা বিশ্লেষণ করে পণ্য চালানটি সন্দেহজনক হিসেবে শনাক্ত করে। আজ একটি কনটেইনারের চালানটি খুলে তা নিশ্চিত হন কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম কাস্টমের উপকমিশনার মো. সালাহউদ্দিন রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, চালানটি আটকে দেওয়ায় সরকারের অন্তত ১০০ কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিতে পারেনি চক্রটি। আগের আমদানিকারকের মতো এই আমদানিকারকের বিরুদ্ধেও ফৌজদারি মামলা ও বিভাগীয় মামলা করা হবে।

কাস্টমস কর্মকর্তাদের জব্দ করা জাল ব্যান্ডরোলের নমুনা ছবি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান দিঘি অ্যান্টি ফেইক কোম্পানির ওয়েবসাইটে ছিল। তবে ৭ ডিসেম্বর প্রথম চালান শনাক্ত হওয়ার পরদিন ওয়েবসাইট থেকে সেই ছবি সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি নকলরোধী তামাকের লেবেল, পাসপোর্ট, ব্যালট পেপার, ভোটার আইডি কার্ড বানায় বলে ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে। যে কাগজ রপ্তানি করেছে, তা তাদের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় নেই।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন