বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানীর ওয়াসা ভবনে আজ শনিবার এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গতকাল শুক্রবার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে পৃথকভাবে ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব দপ্তর (ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট) ও পররাষ্ট্র দপ্তর।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কী কারণে তারা (যুক্তরাষ্ট্র) এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেই প্রতিবেদন আমার টেবিলে এখনো আসেনি। সেটা আমাকে দেখতে হবে তারা কেন, কীভাবে, কী কারণে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। প্রতিবেদন পেলে আমরা আমাদের অবস্থান জানাব। তবে আমাদের সিস্টেম কিন্তু অনেক সুন্দর সিস্টেম। আমাদের এখানে কেউ ইচ্ছা করলেই ক্রসফায়ার বা গুলি করতে পারে না।’

আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘যতটুকু শুনেছি, এই নিষেধাজ্ঞা যে কারণে দিয়েছে, সেই কারণগুলোর যতগুলো ঘটনাই আমাদের দেশে ঘটেছে, সব কটির একটা জুডিশিয়াল তদন্ত হয়। একজন ম্যাজিস্ট্রেট সেটা চেক করেন, যে অ্যাকসিডেন্ট হলো, এই অ্যাকসিডেন্টের পেছনে কারণগুলো যথাযথ ছিল, নাকি গাফিলতি ছিল। আমরা যেখানে কোনো গাফিলতি পাই, সেখানে কিন্তু তার বিরুদ্ধে মামলা চালু থাকে। আর গাফিলতি না থাকলে সেখানেই ক্লোজড হয়ে যায়।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘একটি ঘটনা নিশ্চয়ই দেখেছেন, কুমিল্লায় প্রকাশ্যে ৮-৯ জন সন্ত্রাসী কীভাবে বন্দুক উঁচু করে গুলি করছিলেন। তাঁদের কাছে নিরাপত্তা বাহিনী গিয়ে যদি বলে, “আপনারা আসেন।” তাঁরা কি আসবেন? সন্ত্রাসীরা যখন আগ্নেয়াস্ত্র তাক করেন, তখন আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের নিরাপত্তার জন্য অনেক সময় গুলি করে থাকেন। সেটা তার জন্য বৈধ ছিল, যুক্তিসংগত ছিল, নাকি যুক্তিসংগত ছিল না, সেটা কিন্তু তদন্ত হচ্ছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তখন প্রতিমন্ত্রী। একটা ঘটনা ঘটেছিল ২০১৪ সালে। যুক্তরাষ্ট্রে একটি ছেলে ছাদের ওপরে দাঁড়িয়ে টিস্যু বের করতে পকেটে হাত দিয়েছিল। ঠিক তখনই তাকে গুলি করে মেরে ফেলছে। এ ধরনের ঘটনা তো ওই দেশে ঘটেছে। উদাহরণ দিলে অনেক ঘটনার দেওয়া যায়। আগে নিষেধাজ্ঞা কেন দিয়েছে, আমরা সেটা দেখব, দেখে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাব।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন