বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম সহকারী প্রেস সচিব ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রয়াত খন্দকার আমিনুল হক বাদশাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়ার পর তাঁকে এ সম্মান জানানো হয়।
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত মরদেহ রাখা হবে। মরহুমের ছোট ভাই রাশিদুল হক প্রথম আলোকে জানান, প্রেসক্লাব থেকে মরদেহ কুষ্টিয়ায় নেওয়া হবে। সেখানে শহরের ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে আজই তাঁকে দাফন করা হবে।
গতকাল রোববার বেলা আড়াইটা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য আমিনুল হকের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার অসংখ্য মানুষ মরহুমের কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করা ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, তোফায়েল আহমেদ, আমীর-উল ইসলাম, আবদুল মতিন খসরু, আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, রামেন্দু মজুমদার, আবুল বারকাত, দীপু মনি, নাসির উদ্দীন ইউসুফ, নূরে আলম সিদ্দিকী প্রমুখ। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে ওই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।
এ সময় খন্দকার রাশিদুল হক সবার কাছে মরহুমের বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া কামনা করে পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বাদ আসর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ৭০ বছর বয়সে বাধর্ক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে ইন্তেকাল করেন আমিনুল হক। তিনি সপরিবারে সেখানেই থাকতেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে তিনি অবদান রাখেন।
পারিবারিক সূত্র জানায়, কাল মঙ্গলবার কুষ্টিয়ায় বেসরকারি সংস্থা বোধোদয়ের কার্যালয়ে বাদ আসর মরহুমের কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন