default-image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বোমা প্রস্তুতকারী ও সরবরাহকারীদের পাশাপাশি তাদের আদেশদাতা এবং অর্থের জোগানদারদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক¯বিচার হওয়া প্রয়োজন। কারণ, গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, তারা আরও ভয়াবহ ঘটনা সংঘটনের পরিকল্পনা করছে।
গতকাল রোববার সচিবালয়ে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। পেট্রলবোমা হামলা ও অন্যান্য নাশকতার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক¯শাস্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিলম্বিত বিচার তাদের আরও বড় ধরনের অঘটনে উৎসাহিত করবে। খবর বাসসের।
বিএনপির চলমান কর্মকাণ্ডকে ব্যর্থ চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাদের এই গোলযোগ স্পষ্টত বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে। যদিও এই অশুভ তৎপরতা থেকে তারা কিছুই অর্জন করবে না।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বক্তৃতা করেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক, সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মাদ শহিদুল হক এবং মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, মানুষ যাতে বিচার পায়, শান্তিতে বাস করতে পারে ও অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছলতার সঙ্গে এগিয়ে যায়—এ জন্য বর্তমান সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী ও কার্যকর বিচার-প্রক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পরামর্শ দেওয়া এবং একত্রে কাজ করার জন্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতে তাঁর সরকার এ লক্ষ্যে কাজ করেছে এবং আগামী দিনে এ প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।
বিচার-প্রক্রিয়ায় মামলাজট ও দীর্ঘসূত্রতা হ্রাসে কাজ করতে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের বিচার পাওয়ার পথ সুগম করতে আইনি ব্যবস্থা সহজ হওয়া প্রয়োজন। আমরা এ ব্যাপারে সচেতন যে আইনের ফাঁক বুঝে প্রকৃত কোনো অপরাধী যেন বেরিয়ে আসতে না পারে।’ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের বিচার বিভাগের নতুন নিয়োগ ও বিদ্যমান বিচার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
অসচ্ছলতার কারণে মামলা করতে আদালতে আসতে পারে না, এমন মানুষের সহায়তায় উপজেলা পর্যন্ত¯বর্তমান লিগ্যাল এইড কমিটিকে শক্তিশালী করতে কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন