বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গতকাল সোমবার গোপালগঞ্জে মামলা হয়েছে।
একই অভিযোগে একই দিন শরীয়তপুরে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এক হাজার কোটি টাকার মানহানি মামলা করা হয়। আদালত তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
গতকাল গোপালগঞ্জ জেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের আদালতে একটি মামলা করেন ইউএনবির জেলা প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাবের মহাসচিব সৈয়দ মিরাজুল ইসলাম। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করা হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি।
আরজিতে বলা হয়, ১৬ ডিসেম্বর লন্ডনে বিএনপি আয়োজিত এক সভায় তারেক রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘রাজাকার’, ‘খুনি’ ও ‘পাকবন্ধু’ বলে মন্তব্য করেন। এতে শেখ মুজিবুর রহমানের মর্যাদাহানি হয়েছে। এ বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। এ নিয়ে গোপালগঞ্জে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চারটি মানহানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা হলো। এর আগে ২১ ডিসেম্বর, ২২ ডিসেম্বর ও ২৩ ডিসেম্বর আরও তিনটি মামলা হয়।
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাসির খান জেলা মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে গতকাল ওই মানহানি মামলা করেন। পরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আমিনুল ইসলাম এ মামলায় তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন