বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউরোপীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এলোমেটিক কনসালটিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং প্রাইভেট লিমিটেডের তত্ত্বাবধানে আর্মি ফার্মা লিমিটেডের ফ্যাক্টরি নির্মাণের কাজ চলছে শিমুলতলীতে। শত বিঘা জমির ওপর অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এই উৎপাদন প্রতিষ্ঠানে ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, ইনজেকশন, সিরাপ, সাসপেনশন, ক্রিম, অয়েন্টমেন্ট, অ্যান্টিবায়োটিক, সাপোজিটরি, ইনহেলার ইত্যাদি উৎপাদনের পাশাপাশি ভ্যাকসিন, বায়োটেক, হরমোন, অ্যান্টিক্যানসার, হারবাল এবং অ্যাগ্রোভেট প্রোডাক্ট উৎপাদনসুবিধা বিদ্যমান থাকবে। এ ছাড়া মেডিকেল ডিভাইস উৎপাদনসুবিধাও এ প্রকল্পে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞ পেশাদার জনবলের মাধ্যমে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও মানসম্পন্ন কাঁচামাল ব্যবহার করে প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্টের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

সেনাপ্রধান আর্মি ফার্মাকে তাঁর স্বপ্নের প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করেন। প্রকল্প উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, ব্লাড প্রেশার, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা, পেপটিক আলসারের মতো অসুখে সর্বসাধারণ ভুগে থাকে। আর্মি ফার্মা লিমিটেড থেকে উৎপাদিত উক্ত রোগগুলোর ওষুধ যাতে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ নিম্ন আয়ের প্রান্তিক জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে ও সবার জন্য সহজপ্রাপ্য হয়, সে জন্য তিনি আর্মি ফার্মার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে আর্মি ফার্মার যাত্রাকে ঐতিহাসিক বলে উল্লেখ করেন সেনাপ্রধান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও আর্মি ফার্মা আগামী দিনে স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মতপ্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এ প্রতিষ্ঠানটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষ ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে আর্মি ফার্মা দেশের মহামারি মোকাবিলায় কোভিড সংক্রমণের সময়ে ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে জার্মনিল ব্র্যান্ডের হেলথ অ্যান্ড হাইজিন প্রোডাক্ট হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ফেস মাস্ক, হ্যান্ডওয়াশ ও অ্যান্টিসেপটিক সলিউশন (জীবাণুনাশক) ইত্যাদি উৎপাদন ও সুনামের সঙ্গে বিপণন করে স্বাস্থ্য খাতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে। আশা করা যায়, জাতীয় ওষুধ নীতির বর্তমান লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী বছরের প্রারম্ভে আর্মি ফার্মা তার উৎপাদিত ওষুধসামগ্রী বাজারজাত করবে।

আর্মি ফার্মা লিমিটেড উদ্বোধন শেষে সেনাপ্রধান বিএমটিএফের ইলেকট্রনিক অ্যাসেম্বলি শপ, গাড়ি সংযোজন ফ্যাক্টরি, ফার্নিচার ফ্যাক্টরি, প্রি-স্ট্রেসড পাইলিং ফ্যাক্টরি, স্টিল স্ট্রাকচার ফ্যাক্টরি, ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারী ইউনিট ও লেদার ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন। বিএমটিএফের এসব প্রকল্প, ফ্যাক্টরিগুলো দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন