বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দা সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেলে ভবানীপুর গ্রামে নির্বাচনী পোস্টার সাঁটানো নিয়ে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হাসান ফিরোজ আহম্মেদের সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আলতাফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের সাতজন আহত হন। গুরুতর অবস্থায় কুতুব উদ্দীনসহ কয়েকজনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে কুতুব উদ্দীন মারা যান।

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী আলতাফ হোসেন বলেন, ‘সকালে পোস্টার সাঁটাতে গেলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাসান ফিরোজের লোকজন আরিফুল নামের আমার এক কর্মীকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। বিকেলে আমার কর্মী কুতুব উদ্দীনসহ কয়েকজন ভবানীপুর বাজারে বসেছিল। তখন তাদের ওপর হাসান ফিরোজের লোকজন আবার হামলা করে। এতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কুতুব মারা গেছে।’

আলতাফ হোসেনের সমর্থকদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাসান ফিরোজ বলেন, ‘মূলত সদস্যপদে দুই প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুই প্রার্থীর মধ্যে হবিবর রহমান আমার সমর্থক ও ইকতিয়ার হোসেন আলতাফের সমর্থক। এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই। তা ছাড়া ইকতিয়ারের লোকজন প্রথমে হবিবরের সমর্থক মন্টুকে কুপিয়ে জখম করে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যশোরের সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান বলেন, দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আহত একজন মারা গেছেন। যিনি মারা গেছেন তিনি ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর সমর্থক। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন