বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হেফাজতের বিবৃতিতে বলা হয়, আলেম-ওলামারা সরকার কিংবা দেশের শত্রু নন। তাঁরা দেশের কল্যাণে এগিয়ে থাকেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত খবর থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি কয়েক আলেমকে গভীর রাতে তাঁদের নিজ বাড়ি বা অন্য কোনো স্থান থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশে এ ধরনের ঘটনা অনুচিত বলে হেফাজত মনে করে। কারণ, দেশে প্রশাসন, আদালত ও বিচার বিভাগ রয়েছে। কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যাচাই-বাছাই ও সুষ্ঠু তদন্ত করে যথাযোগ্য বিচার করার সুযোগ রয়েছে।

বিবৃতিতে মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, ‘একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশে এসব অগণতান্ত্রিক নিয়মকে শক্ত হাতে দমন করা না গেলে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে। জনমনে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হতে পারে। কোনো আত্মগোপনকারী শত্রুগোষ্ঠী ইসলাম ও দেশের বিরুদ্ধে সুযোগ নিতে পারে। তাই আমরা সরকারের কাছে অনুরোধ রাখছি, যেন জনমনে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টিকারী কায়দায় কোনো আলেম বা সুনাগরিককে ধরপাকড় করা না হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি যে–ই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে নিয়ে বিচারাধীন করা হোক।’

হেফাজতের আমির আরও বলেন, ‘আমরা বলছি না যে আলেম-ওলামারা সবাই নিষ্পাপ বা সব দোষ ও অভিযোগমুক্ত। হতে পারে তাঁদের মধ্যেও কেউ অপরাধী কিংবা দোষী থাকবেন। কিন্তু আমাদের দাবি হলো, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দেশের সাধারণ নিয়মে বিচারের আওতায় আনলে জনগণ স্বস্তি পাবে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন