বিজ্ঞাপন

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার জোয়ারের তোড়ে বিষখালী নদীসংলগ্ন উপজেলার দক্ষিণ কালিকাবাড়ী এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে। এ ছাড়া কোথাও কোথাও বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করা শুরু করলে স্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আতঙ্ক, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা শুরু হয়। এসব এলাকার লোকজন আতঙ্কিত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত থেকে রক্ষার জন্য আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া শুরু করে।

শিশু ইমামুল হাসানকে কোলে করে আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছোটেন স্বপনের স্ত্রী। আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে মায়ের কোল থেকে শিশুটি পানিতে পড়ে যায়। পরে জোয়ারের পানির স্রোত শিশুটিকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে স্থানীয় ব্যক্তিরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় পানি থেকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় ওই পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান ইউএনও সুহৃদ সালেহীন।

ইউএনও সুহৃদ সালেহীন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে নদীতে অস্বাভাবিক পানি বেড়ে যাওয়ায় বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ে। এতে ভয়ে লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছিল। যাওয়ার সময় মায়ের কোল থেকে পানিতে পড়ে শিশু ইমামুল হাসান মারা যায়। এই পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন