ইউক্রেনের পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ
ইউক্রেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। খবর বাসসের।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, সংলাপ ও সহযোগিতার চেতনা বজায় রেখে এই সংকট নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আহ্বান জানাচ্ছে বাংলাদেশ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই সংকটের সমাধানের ওপর অঞ্চল ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন নির্ভর করে, যা কেবল সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।
ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে মস্কো ও পশ্চিমা বিশ্ব এখন মুখোমুখি অবস্থানে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কিয়েভসহ পশ্চিমাদের অভিযোগ, ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসন চালানোর পরিকল্পনা করছে ক্রেমলিন। তবে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
গত সোমবার নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেন প্রশ্নে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে হামলা হলে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। পশ্চিমা দেশগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে গতকাল ইউক্রেন সফরে যান বরিস।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অভিযোগ করেছেন, তাঁর দেশকে ইউক্রেনে একটি যুদ্ধে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
পুতিনের ভাষ্য, রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের অজুহাত হিসেবে একটি সংঘাতকে ব্যবহার করা যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য।