ইউনিপেটুইউতে বিনিয়োগকারীর অর্থ বিতরণে রুল

বিজ্ঞাপন
default-image

বিচারিক আদালতের রায় অনুসারে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি (এমএলএম) ইউনিপেটুইউ বাংলাদেশ লিমিটেডের এক বিনিয়োগকারীর অর্থ বিতরণ নিয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ওই বিনিয়োগকারীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ বুধবার বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ইউনিপেটুইউর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি শাহবাগ থানায় মামলা করে দুদক। এই মামলায় ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন ইউনিপেটুইউর চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ছয়জন কর্মকর্তাকে ১২ বছর করে কারাদণ্ড এবং তাঁদের ২ হাজার ৭০২ কোটি ৪১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৪ টাকা ১৪ পয়সা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিচারিক আদালতের রায়ে বলা হয়, তিনটি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে মোট ৪২০ কোটি ১৪ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৩ টাকা জব্দ করা আছে। বলার অপেক্ষা রাখে না যে দেশের লাখ লাখ জনসাধারণের আমানতের একটি ক্ষুদ্র অংশ ওই অবরুদ্ধ টাকা। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে শনাক্ত করে তাঁদের তালিকা তৈরি করে ন্যায়সংগতভাবে তা ফেরত দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্র বাজেয়াপ্তকৃত সম্পত্তির নিষ্পত্তিকরণ প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে পারবে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই রায় অনুসারে বিনিয়োগ করা অর্থ সুদসহ দিতে নির্দেশনা চেয়ে ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা মো. মনজুর হোসেন গত ফেব্রুয়ারিতে রিট করেন। এর ওপর শুনানি নিয়ে আজ বুধবার রুল দেওয়া হয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জিয়া উল হক ও সাইফুজ্জামান তুহিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দেবাশিস ভট্টাচার্য্য।

পরে সাইফুজ্জামান তুহিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিচারিক আদালতের রায় অনুসারে ইউনিপেটুইউতে বিনিয়োগকারীর (রিট আবেদনকারী) অর্থ বিতরণে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। রিট আবেদনকারীর ৩ কোটি ৫ লাখ ৪২ হাজার ৪০০ টাকা ২০১০ সালের নভেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত সুদসহ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে। অর্থসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ, আইনসচিব, ইউনিপেটুইউসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন