বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সময় সোমবার প্যারিসে অবস্থিত ইউনেসকো সদর দপ্তরে সংস্থার নির্বাহী বোর্ড সভার ২১২তম অধিবেশনের ‘প্লেনারি ডিবেট’–এ বক্তব্যে এ আহ্বান জানান বাংলাদেশের প্রতিনিধি। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

আলোচনায় বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের এ বিশেষায়িত সংস্থার প্রচেষ্টার প্রতি বাংলাদেশের অবিচল আস্থা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তারিক সুজাত। করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় ইউনেসকো মহাপরিচালক মিজ অঁদ্রে আজুলের গৃহীত ত্বরিত ও কার্যকর পদক্ষেপের প্রশংসা করেন তিনি। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যসংকটের পরও এসডিজি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে জানান বাংলাদেশ প্রতিনিধি।

এ সময় তারিক সুজাত আরও বলেন, বাংলাদেশ সরকার ১৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় নারী, হতদরিদ্র, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করেছে।

করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষা খাতে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় সরকারের ব্যাপকভিত্তিক দূরশিক্ষণ কার্যক্রমসহ নানা ডিজিটাল কর্মসূচি তুলে ধরেন তারিক সুজাত। বর্তমানে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় ইউনেসকো সাধারণ সভার ৪১তম অধিবেশন চলাকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে প্রবর্তিত ইউনেসকো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর ক্রিয়েটিভ ইকোনমি দেওয়া হবে বলেও সভায় উপস্থিত ব্যক্তিদের অবহিত করেন তারিক সুজাত।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বাংলাদেশ ইউনেসকো জাতীয় কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল মো. সোহেল ইমাম খান, প্যারিসে বাংলাদেশ মিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স এস এম মাহবুবুল আলম, প্রথম সেক্রেটারি নির্ঝর অধিকারী এবং ইউনেসকো কমিশনের প্রোগ্রাম অফিসার মো. তাজউদ্দিন রয়েছেন। নির্বাহী বোর্ডের ২১২তম অধিবেশন ৬ অক্টোবর শুরু হয়ে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন