কিশোরগঞ্জের ইটনায় ধনু নদীতে একটি যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে গেছে। ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে হ্যাপি আক্তার (৩) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলা সদরের এরশাদনগর এলাকায় অন্তত ৫০ জন যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি ডুবে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নিহত হ্যাপিদের বাড়ি নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ি উপজেলার পাঁচহাট গ্রামে।
দুর্ঘটনাকবলিত ট্রলারের কয়েকজন যাত্রী জানান, বেলা আড়াইটার দিকে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার চামড়া নৌবন্দর থেকে যাত্রী ও পণ্য নিয়ে ট্রলারটি খালিয়াজুড়ির শ্যামারচর গ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ট্রলারটি অতিরিক্ত যাত্রী এবং পণ্যবোঝাই ছিল। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে এরশাদনগর বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র এলাকা অতিক্রম করার সময় ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় যাত্রীদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ও অন্য ট্রলারের যাত্রীরা গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রলারের বেশির ভাগ যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। ট্রলারে নিহত হ্যাপির বাবা হানিফ মিয়া ও মা পারুল আক্তারও ছিলেন। তাঁরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও হ্যাপি ডুবে যায়।
ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মালেক জানান, অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্যবোঝাই থাকায় ট্রলারটি ডুবে যায়। সন্ধ্যা সাতটার দিকে সেটি উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন