এ পর্যন্ত চারজন তদন্ত কর্মকর্তা মামলাটি তদন্ত করেছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনের জবানবন্দি রেকর্ড শেষ হয়েছে। তাঁরা হলেন গুলশান থানার তৎকালীন এসআই মোহাম্মদ সাব্বির রহমান ও জেহাদ হোসেন। অন্য দুজন কর্মকর্তা হলেন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক সৈয়দ সহিদ আলম ও গোলাম রব্বানী।
২০১৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান ২ নম্বরের ৯০ নম্বর সড়কের ফুটপাতে সিজারকে (৫১) গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ মামলা তদন্ত করে ২০১৬ সালের ২২ জুন ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার কাইয়ুমসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা অন্য আসামিরা হলেন কাইয়ুমের ভাই আবদুল মতিন, তামজিদ আহমেদ ওরফে রুবেল, রাসেল চৌধুরী, মিনহাজুল আরেফিন ওরফে ভাগনে রাসেল, শাখাওয়াত হোসেন ও সোহেল আহম্মেদ ওরফে ভাঙাড়ি সোহেল।
আসামিদের মধ্যে সোহেল ছাড়া অন্য সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

কাইয়ুম ও সোহেল পলাতক। জামিনে আছেন কাইয়ুমের ভাই আবদুল মতিন। সাত আসামির মধ্যে তামজিদ, রাসেল, মিনহাজুল ও শাখাওয়াত ইতিমধ্যে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, একটি স্বার্থান্বেষী মহল অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইতালির নাগরিক সিজার তাবেলাকে হত্যা করে। এম এ মতিনকে অর্থের জোগানদাতা এবং এম এ কাইয়ুমকে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য ব্যক্তি বলেও উল্লেখ করা হয় অভিযোগপত্রে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন