বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে গত বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলে পরিবেশন করা ইফতারি ‘নিম্নমানের’ ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাজমা শাহীন।
গতকাল শনিবার প্রাধ্যক্ষ প্রথম আলোর কাছে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘যে বাবুর্চির তৈরি করা খাবার ছাত্রীরা ইফতারে খান, সেই বাবুর্চিকে দিয়েই ইফতারি তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া ইফতারের জন্য আরও অতিরিক্ত “আইটেম” হিসেবে আম, জিলাপি আর জুস বাইরে থেকে আনা হয়েছে।’ তাঁর দাবি, ‘যদি শিক্ষার্থীরা এই খাবারকে নিম্নমানের বলেন, তবে বলতে হবে, প্রতিদিনই তাঁরা নিম্নমানের খাবার খান।’
শুক্রবার ‘“নিম্নমানের” খাবার দেওয়ায় ছাত্রীদের প্রতিবাদ, দুই শিক্ষকের পদত্যাগ’ শিরোনামে প্রথম আলোতে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়। সেখানে শুধু জুসের কথা উল্লেখ ছিল না। ওই দিনের প্রতিবেদনে দুই শিক্ষকের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
প্রাধ্যক্ষ বলেন, ‘দুজন আবাসিক শিক্ষকের বিষয়ে ছাত্রীরা আমাকে বলেছেন যে তাঁদের মাফ চাইতে হবে, নইলে পদত্যাগ করতে হবে। কিন্তু এই দাবিটা আমি মানি না, যৌক্তিক মনে করি না। শিক্ষক হিসেবে তাঁরা এমন কোনো অপরাধ করেননি, যার কারণে ছাত্রীদের কাছে মাফ চাইতে হবে। তাই আমার সহকর্মীরা আত্মসম্মান নিয়ে প্রয়োজনে পদত্যাগ করবেন বলে জানিয়েছেন।’
অধ্যাপক নাজমা শাহীনের এই বক্তব্যের পর পদত্যাগী আবাসিক শিক্ষক মার্কেটিং বিভাগের উসমিতা আফরোজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘প্রাধ্যক্ষ এ সম্পর্কে ভালো বলতে পারবেন।’
ইফতারের সঙ্গে রাতের খাবার না দেওয়ার বিষয়ে প্রাধ্যক্ষের দাবি, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ছুটি চলছে। তাই অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বাড়িতে। তাঁরা সবাই এলে ঈদের পর ডিনার করানোর চিন্তা ছিল।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0