বিজ্ঞাপন

রমনা থানার উপপরিদর্শক নারায়ণ সরকার প্রথম আলোকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সুপ্রিয়া শের–ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক হলেও উচ্চতর পড়াশোনার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) প্যাথলজি বিভাগে পড়ছিলেন। ঢাকায় আপন ছোট ভাইয়ের সঙ্গে থাকতেন সুপ্রিয়া কর্মকার।

দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্বজনেরা ততক্ষণে সুপ্রিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ সিলিং থেকে নামিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিয়েছেন। পুলিশ পরে মরদেহ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে যায়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় সুপ্রিয়া সরকারের ভাই সুতনু সরকার বাদী হয়ে রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন