বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ই-কমার্স গ্রাহকদের আটকে থাকা টাকা ফেরতে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চেয়ে করা একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার এ রুল দেন।

ওই পাঁচ প্রতিষ্ঠানে ই-কমার্স গ্রাহকদের আটকে থাকা টাকা ফেরত দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চেয়ে কনসাস কনজ্যুমার সোসাইটির (সিসিএস) পক্ষে সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ গত ২১ অক্টোবর ওই রিট করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সাবরিনা জেরিন ও এম আব্দুল কাইয়ূম। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

পরে আইনজীবী সাবরিনা জেরিন প্রথম আলোকে বলেন, অনেক গ্রাহক বা ক্রেতা ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে পণ্যের জন্য অর্ডার দিয়েছেন আবার কেউ ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন। পণ্য না পেলে গ্রাহকদের ওই টাকা ফেরত পাওয়ার কথা। কিন্তু টাকা ফেরত পাননি। আর গ্রাহকেরা টাকা ফেরত পাবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তায় রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। তাই গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা ফেরতে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হলে আদালত ওই রুল দেন।

বাণিজ্যসচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশ, নগদ এবং পেমেন্ট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠান এসএসএল কমার্স, ফস্টার পেমেন্টেস ও সূর্য পে–এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন