রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, ১২৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহত মানুষের ৪১ দশমিক ৪৮ শতাংশ। ৫৪ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৪৯ জন, অর্থাৎ ১৩ শতাংশ।
এ সময় ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছে এবং দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। ১৭টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তিনজন।

দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহত যাত্রীর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৫৬ জন, বাস যাত্রী ৩২ জন, ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি আরোহী ২০ জন, মাইক্রোবাস-ব্যক্তিগত গাড়ি-অ্যাম্বুলেন্স-জিপ যাত্রী ১৫ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-টেম্পো) ৭৮ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নছিমন-ভটভটি-টমটম-মাহিন্দ্র) ১৩ জন এবং বাইসাইকেল-প্যাডেল রিকশা-রিকশাভ্যান আরোহী ৮ জন নিহত হয়েছে।

দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৬৭টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১১২টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৬২টি পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দেওয়া, ৩১টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ১১টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ঈদুল ফিতরের চেয়ে এ বছরের ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপনকালে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং প্রাণহানি বেড়েছে ১৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন