default-image

ঈদে আনন্দ করতে তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়েছিলেন ছয় বন্ধু। তবে আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে তাঁদের। গাছের সঙ্গে একটি মোটরসাইকেল ধাক্কা লেগে প্রাণ হারিয়েছেন একজন। বিপদ হতে পারে—এমন আশঙ্কায় তাঁকে ফেলেই পালিয়েছেন অন্য বন্ধুরা।

আজ সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটেছে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কামনগরের অনিলের মোড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করেছে।

ওই তরুণের নাম রাশেদ হোসেন (২২)। তিনি মোহনপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের আয়ূব আলীর ছেলে।

রাশেদের স্বজন এমাজ আলী খান বলেন, রাশেদের বন্ধুরাও বয়সে তরুণ। মৃত্যু নিশ্চিত জেনে বিপদ হতে পারে-ভেবে বন্ধুরা লাশ ফেলে চলে গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে আজ দুপুরে ছয় বন্ধু মিলে তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। তাঁরা কেশরহাট-ভবানীগঞ্জ সড়ক দিয়ে ভবানীগঞ্জের দিকে যাচ্ছিলেন। সড়ক ফাঁকা থাকায় তাঁরা বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন। বিকেল চারটার দিকে কামনগরের অনিলের মোড়ে বাঁক ঘুরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে রাশেদের মোটরসাইকেলের। এতে তাঁর মাথা থেঁতলে যায়। তাঁর পেছনে বসা তরুণও আহত হন। অন্যরা রাশেদকে মৃত অবস্থায় ফেলে আহত বন্ধুকে নিয়ে চলে যান। আশপাশের লোকজন রাশেদকে মৃত অবস্থায় গাছের সঙ্গে আটকে থাকতে ও পাশে মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখতে পান। তাঁরা থানায় ও রাশেদের পরিবারে খবর দেন। পরিবারের লোকজন গিয়ে লাশ শনাক্ত করে। বিকেল পাঁচটার দিকে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে।

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান বলেন, পরিবারের সদস্যদের আপত্তি না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0