নিজের ও পরিবারের জন্য টিকিট সংগ্রহ করতে আসছিলেন ব্যবসায়ী মো. নুরুল আমিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, টিকিটের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। এসেই টিকিট পেয়েছেন। তবে পরিচয়পত্রের মূল কপি আনলে ফটোকপি ছিল না। তাই আবার ফটোকপি করে আনতে কিছুটা সময় লেগেছে। তেমন কোনো জটিলতা নেই এবার।

দুপুরে টিকিট নিতে আসেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান ও তাঁর আত্মীয় সিফাত উল্লাহ। তিনি বলেন, অনলাইনে টিকিট নিয়েছেন। এখন প্রিন্ট কপি নিতে এসেছেন। আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রিন্ট টিকিট নিতে পেরেছেন। তবে তিনি আরও বলেন, সকালে অনলাইনে টিকিট নেওয়ার সময় সার্ভারে সমস্যা ছিল। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক রতন কুমার চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রথম দিন স্টেশনের কাউন্টারে মানুষের ভিড় তেমন ছিল না। ঠিক কী কারণে ভিড় কম, তা বলা যাচ্ছে না। তবে মানুষ হয়তো আরও কয়েক দিন পর বাড়ি যাবেন। ২৯ বা ৩০ এপ্রিলের টিকিটের জন্য ভিড় বাড়তে পারে।

রতন কুমার চৌধুরী বলেন, প্রথম দিন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্টেশনগামী ট্রেনের জন্য প্রায় ছয় হাজার টিকিট বরাদ্দ রাখা হয়। তবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনলাইন ও কাউন্টারে প্রায় ৫৩ শতাংশ টিকিট বিক্রি হয়েছে। তবে সকালের দিকে সার্ভারে একটু সমস্যা থাকলেও তা দ্রুত ঠিক হয়ে যায়। অনলাইনে টিকিট পেতে ভোগান্তির বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি তাঁদের কাছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন