বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বুধবার সকাল–দুপুর রাজধানীর মিরপুর, গাবতলী, সংসদ ভবন এলাকা, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, ফাঁকা রাস্তায় কিছু বাস চলাচল করছে। সেসব বাসের অধিকাংশ আসনই ফাঁকা থাকছে। ব্যক্তিগত গাড়িও অল্প মাত্রায় চলাচল করছে। অল্প কিছু সিএনজি ও রিকশাও রাস্তায় রয়েছে।

এদিকে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি ও ঈদের এক দিন পর কঠোর বিধিনিষেধ দেওয়ায় অনেকেই ঢাকায় ঈদ করছেন। এর বাইরেও নানা কারণে এবার ঢাকায় ঈদ করছেন অনেকে। এ ছাড়া ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দারা তো রয়েছেনই।

করোনাভাইরাসের কারণে গ্রামে না গিয়ে রাজধানীতে ঈদ উদ্‌যাপন করছেন মিরপুরের বাসিন্দা যামেনা বেগম। তিনি জানান, ‘করোনার কারণে জীবনে এই প্রথম পরপর ঈদ ঢাকায় করছি সন্তানদের সঙ্গে। এই অবস্থা না থাকলে রাজশাহীর গ্রামের বাড়ি পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঈদ করতাম।’

default-image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঈদের নামাজ আদায়ের পর থেকে পশু কোরবানি দিচ্ছেন মুসল্লিরা। অলিগলিতে কোরবানি হচ্ছে বেশি। অনেক কিশোর–কিশোরী ঘুরতে বেরিয়েছে। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ থাকলেও কিছু কিছু মিষ্টির ও চায়ের দোকান খোলা রয়েছে। আবার অনেকেই ঈদের দিনও গ্রামে বাড়ি যেতে বাস টার্মিনালগুলোতে ছুটছেন।

করোনাভাইরাসের প্রকোপের আগে দুটি ঈদ ছাড়া ঢাকা ফাঁকা থাকার দৃশ্যের দেখা মিলত না। গত বছরের মার্চে দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হলে কিছুদিন সুনসান ঢাকার দেখা মিলেছিল। তারপর থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করলে প্রথম এক–দুই দিন ফাঁকা থাকলেও পরের সময়গুলোয় রাস্তায় যানজট লেগে থাকতে দেখা যায়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন