পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে এবার মা–বাবাকে নিয়ে ফরিদপুরে যাবেন সুমাইয়া। দীর্ঘদিনের ইচ্ছা পূরণ হবে তাঁর। দুই পরিবার একসঙ্গে ঈদ করবেন। কতটা খুশি সুমাইয়া? বলতে গিয়ে ঝলমল করে ওঠে তাঁর চোখ-মুখ, ‘এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। আমার মা-বাবার খুব শখ ছিল একবার আমার শ্বশুরবাড়িতে সবাই মিলে ঈদ করার। কিন্তু উত্তাল পদ্মা পাড়ি দেওয়ার ভয় আর অনিশ্চয়তার কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে এবার আমাদের সেই আশা পূরণ হবে।’

সুমাইয়ার মতো টুম্পা-সাগর জুটিরও দীর্ঘদিনের স্বপ্ন আর আশা পূরণ হবে এবার। সদ্য বিয়ে হওয়ায় এই দম্পতি প্রথমবার পদ্মা সেতু পার হয়ে ঈদ করতে যাবে পরিবারের সঙ্গে। বিয়ের পর এত দিন শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে ভিডিওকলেই বেশি কথা হয়েছে টুম্পার। নিজের মতো করে আদর-যত্ন করা হয়নি তাঁদের।

টুম্পা বলেন, ‘শ্বশুর-শাশুড়ির আদর-ভালোবাসা সেভাবে পাওয়া হয়নি আমার। বিয়ের সময় এক দিন থেকেই গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের চলে এসেছিলেন তাঁরা। এবার ঈদের সময়টা শ্বশুর-শাশুড়ি কাছে থেকেই কাটাতে পারব। এই ভালোলাগা অন্যরকম।’

সুমাইয়া কিংবা টুম্পার মতো অসংখ্য হাসি-আনন্দের গল্প এবার ঈদে পাড়ি দেবে পদ্মা সেতু। আপনজনের টানে বাড়ি যাওয়ার এই ঈদযাত্রা তাই অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন