বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘আবেগের বশবর্তী হয়ে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটাতে যাবেন না। বাহ্যিক লক্ষণ না থাকলে অনেকে বুঝবে না পাশের কেউ আক্রান্ত। এতে করোনাভাইরাসের ঝুঁকির পাশাপাশি আশপাশের মানুষও ঝুঁকিতে পড়বে।’ তিনি বলেন, সবার ওপরে মানুষের জীবন। বেঁচে থাকলে আসছে বছর আবার আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদ্‌যাপন করা যাবে।


করোনার বিস্তার প্রতিরোধে মসজিদে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যে যেখানে আছি, সেখান থেকেই ঈদের আনন্দ উপভোগ করি।’ এ ছাড়া বিত্তবানদের তিনি দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, গত এক বছরে করোনা স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং অর্থনীতির ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সংক্রমণ গত বছরের শেষ দিক থেকে কমতে শুরু করে এ বছরের মার্চে আবার বাড়তে শুরু করে। সংক্রমণ এড়াতে লকডাউন বা সাধারণ ছুটি বলবৎ করতে হয়েছে। এই কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়া বিকল্প কোনো উপায় ছিল না।

কারণ প্রতিটি দেশেরই স্বাস্থ্য অবকাঠামোর একটি নির্দিষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। হঠাৎ করে দ্রুতগতিতে রোগী বাড়তে থাকলে তখন সেবা দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। তবে সরকার জীবন ও জীবিকার মধ্যে একটা সামঞ্জস্য বজায় রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

টিকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। কিন্তু ভারতীয় কর্তৃপক্ষ টিকা রপ্তানির ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তাই সরকার বিকল্প উৎস থেকে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে। বিভিন্ন উৎস থেকে সরকার এক কোটি টিকা ক্রয়ের ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

এ ছাড়া তিনি বলেন, ‘খুব শিগগির দেশে টিকা আসতে শুরু করবে। তা ছাড়া, দেশেই যাতে টিকা উৎপাদন করতে পারি, সে ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। নিজেদের টিকা তৈরিতে কয়েক মাস সময় লাগবে। আমরা দেশের সব নাগরিককে টিকার আওতায় নিয়ে আসব।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন