পদ্মা নদীর পাড়ে সিসি ব্লকের সঙ্গে আটকা পড়েছিল হাত-পা বাঁধা মস্তকহীন এক যুবকের লাশ। উদ্ধারের জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন এলাকাবাসী।
কিন্তু উদ্ধার না হওয়ায় ১৬ ঘণ্টা পর এলাকাবাসী বাঁশ দিয়ে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছেন লাশটি।
ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের মধু ফকিরেরডাঙ্গি গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাজিগঞ্জের উজানে মধু ফকিরেরডাঙ্গি গ্রামে পদ্মার পাড়ে গত সোমবার বেলা একটার দিকে ওই যুবকের লাশ আটকে থাকতে দেখা যায়। হাত-পা বাঁধা লাশটি গ্রামের পদ্মার পাড় ঘেঁষে ব্লক বাঁধের ঢালে আটকে থাকে।
লাশের পরনে ছিল কালো জ্যাকেট ও জিনসের প্যান্ট। গতকাল মঙ্গলবার ভোর পাঁচটার দিকে লাশটি বাঁশ দিয়ে ঠেলে নদীতে ভাসিয়ে দেন এলাকাবাসী।
লাশটি দেখার পর এলাকাবাসী উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব হাসানকে অনুরোধ করেছিলেন।
ওসি মাজহারুল ইসলাম গতকাল ছুটিতে থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আলিমুজ্জামান বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।’
সোমবার থানার দায়িত্বে ছিলেন এসআই মো. মিজান। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আমার জানা নেই।’
ইউএনও বলেন, ‘সোমবার দুপুরে এলাকাবাসীর কাছ থেকে মৃতদেহ আটকে থাকার খবর জেনে আমি ওসি মাজহারুল ইসলামকে সোমবারের মধ্যে মৃতদেহটি উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলি। কিন্তু কেন তিনি মৃতদেহটি উদ্ধারে কোনো ব্যবস্থা নিলেন না, তা আমার জানা নেই। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন