কুমিল্লার হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র এক্স-রে মেশিনটি তিন মাস ধরে বিকল পড়ে আছে। এতে হাসপাতালে আসা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাইরে নয় গুণ টাকা বেশি দিয়ে এক্স-রে করাতে হচ্ছে তাঁদের।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার নয় ইউনিয়নের প্রায় আড়াই লাখ মানুষের জন্য ২০০৯ সালে এক্স-রে মেশিনটি বরাদ্দ দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। দুই বছর আগে মেশিনটি প্রথম বিকল হলে তা তখনই মেরামত করা হয়। গত বছরের ২৯ অক্টোবর মেশিনটি আবার বিকল হয়। মেশিনটি ঠিক করতে ২ নভেম্বর ঢাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়।
গত বুধবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, বহির্বিভাগে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিতে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে এক্স-রে করাতে চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিয়েছেন।
শোভারামপুর গ্রামের মো. শহীদুল্লাহ বলেন, এক্স-রে মেশিন নষ্ট বলে ডাক্তার বাইরে থেকে এক্স-রে করানোর পরামর্শ দেন। বাইরে থেকে বুকের এক্স-রে করাতে তাঁর ৪৫০ টাকা খরচ হয়েছে। অথচ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একবার এক্স-রে করাতে ৫৫-৭০ টাকা খরচ হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, সিভিল সার্জন কিছুদিন পর ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন স্থাপনের আশ্বাস দিয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. ইউছুফ জানান, এক্স-রে মেশিনটির এইচটি বোর্ড ও ডিসপ্লে বোর্ডে সমস্যা হয়েছে। দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে এখন সেখানে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি ভালো হলে মেশিনটি সংস্কার করা হবে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন