বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার রাত পৌনে আটটায় যোগাযোগ করা হলে শাহবাগ থানার ওসি মওদুত হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, ওই ঘটনায় স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের আটক ৯ জন কর্মচারীকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করেনি সিআইডি। এ বিষয়ে থানায় কোনো মামলাও হয়নি।

অন্যদিকে মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক তদন্ত কমিটির প্রধান স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, তদন্তের কাজ চলছে। এর বাইরে আর কিছু বলতে চাননি তিনি।

জানা গেছে, গত ২৭ অক্টোবর সাতটি গুরুত্বপূর্ণ নথি (ফাইল) অফিসের স্টিলের ফাইল কেবিনেটে রাখা হয়। পরদিন ২৮ অক্টোবর দুপুরে দেখা যায় ফাইলগুলো কেবিনেটের মধ্যে নেই। এরপর ওই শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসচিব নাদিয়া হায়দার শাহবাগ থানায় জিডি করেন। ওই দিনই সিআইডির একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ক্রাইম সিন ইউনিটসহ একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের ৯ জন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিআইডি।

জিডির তদন্ত তত্ত্বাবধানকারী সিআইডির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মো. ইমাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, জিডির তদন্তের অবস্থা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে। তারা চাইলে মামলা করে আটক ৯ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে নথি গায়েবের রহস্যের উদ্‌ঘাটন করবে। আর মন্ত্রণালয় আগ্রহী না হলে সে ক্ষেত্রে সিআইডি মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে।

জানা গেছে, নথিগুলো ছিল স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও দপ্তরের কেনাকাটাসংক্রান্ত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ভবিষ্যতে যেসব বিষয় কেনাকাটা হবে, তার প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য ওই নথিগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। এসব ফাইল গায়েব করার কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে, সেটিও তাঁরা বুঝতে পারছেন না। তবে চান দ্রুত এই ঘটনার উদ্‌ঘাটন হোক।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন