কক্সবাজার সৈকতের লাবণী, কলাতলী ও শৈবাল পয়েন্টে এখন থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যটকদের নিরাপত্তা দেবে ট্যুরিস্ট পুলিশ। ফলে দিন-রাত সৈকতে বেড়ানো যাবে। তবে সৈকতে ঘুরে বেড়ানো গেলেও আগের মতোই সন্ধ্যার পর সমুদ্রে নামতে পারবেন না পর্যটকেরা।
এত দিন নিরাপত্তার কারণে রাত ১০টার পর সৈকতে পর্যটকেরা যেতে পারতেন না। তবে এখন চাইলে কেউ সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত হিমছড়ি, দরিয়ানগর ও ইনানী সৈকত ভ্রমণে যেতে পারবেন। আগে এই সুযোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত ছিল। এ ছাড়া আগামী শীত মৌসুমে টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিনকে ট্যুরিস্ট পুলিশের সেবার আওতায় আনা হবে।
গতকাল শনিবার দুপুরে কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষ এসব তথ্য জানায়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ চট্টগ্রাম বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ মুসলিম বলেন, আসছে ঈদে কক্সবাজারে দেড় লাখ থেকে দুই লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটবে। এই বিপুলসংখ্যক পর্যটকের নিরাপত্তার জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যসংখ্যা ৬৮ জন থেকে বাড়িয়ে ১৫৮ জন করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে।
তবে টেকনাফ সৈকত ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়ে মোহাম্মদ মুসলিম বলেন, জনবল-সংকটের কারণে এখনই টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিনে ট্যুরিস্ট পুলিশের কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না। আগামী শীত মৌসুমে টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিনকে ট্যুরিস্ট পুলিশের সেবার আওতায় আনা হবে।
সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর বলেন, সৈকতে ছিনতাইকারী, ভ্রাম্যমাণ হকার নির্মূলের কাজ চলছে। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে পুলিশ একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ এবং লাবণী পয়েন্টে একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার স্থাপন করেছে।
কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহিত করার জন্য চার শতাধিক হোটেল মোটেল রেস্টহাউসে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন